অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়ল সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী ৪ জন রেলডাকাত। রীতিমতো সন্ত্রাস চালাচ্ছিল তারা।

19th December 2020 12:18 pm News
অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়ল সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী ৪ জন রেলডাকাত। রীতিমতো সন্ত্রাস চালাচ্ছিল তারা।


চারজন কুখ্যাত রেল ডাকাত কে গ্রেপ্তার করলো রেল পুলিশ। ওই চার রেল ডাকাত বহুদিন ধরেই রেল পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেড়াচ্ছিল। বহু ডাকাতির কেস রয়েছে তাদের নামে। 

গত ১২ ই ডিসেম্বর ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এর স্পেশাল ব্রাঞ্চের এক অফিসার সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছুরি মেরে তার থেকে টাকা এবং তার মোবাইল কেড়ে নেয় এই ডাকাতদল। সৌম্য বাবু শিয়ালদহ জিআরপি তে এ ব্যাপারে বিস্তারিত অভিযোগ জানান। এই ঘটনায় তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয় যাত্রী সাধারণের মধ্যে। ‌ অনেকেই বলতে থাকেন যখন একজন পুলিশ অফিসারের উপর আক্রমণ করতে পারে ডাকাতদল তখন সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা পুরোপুরি প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। শিয়ালদা শাখার মধ্যে প্রায়ই ছিনতাই এবং ডাকাতির ঘটনা ঘটে থাকে। রেল পুলিশের সংখ্যাধিক্য যথেষ্ট কম থাকায় এই ধরনের ডাকাতি ঘটছে বলে অভিযোগ করতে থাকেন যাত্রীরা। তারপরেই সক্রিয় হয় রেল পুলিশ। 

 এর মধ্যে নানান জায়গায় রেইড করে ওই চার কুখ্যাত ডাকাত কে ধরতে সক্ষম হয়েছে রেল পুলিশ। ‌ ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, ছিনতাই, ডাকাতির মামলা রুজু করেছে রেল পুলিশ।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।