জুয়ায় নিজের স্ত্রীকে বাজি রাখল স্বামী। স্বামীর বন্ধুরা রাতভর গণধর্ষণ করল স্ত্রীকে। ঢালা হল অ্যাসিড।

16th December 2020 12:47 pm News
জুয়ায় নিজের স্ত্রীকে বাজি রাখল স্বামী।  স্বামীর বন্ধুরা রাতভর গণধর্ষণ করল স্ত্রীকে। ঢালা হল অ্যাসিড।


পৈশাচিক একটি ঘটনা ঘটেছে বিহারের ভাগলপুরে। জুয়ায় নিজের স্ত্রীকে বাজি রেখেছিলো এক ব্যাক্তি। জুয়ায় হারার পর ওই ব্যক্তি স্ত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ করল তার বন্ধুরা। সবথেকে পৈশাচিক বিষয়টি হলো ওই মহিলার শরীরে ঢেলে দেওয়া হয়েছে অ্যাসিড। 

বর্তমানে বহু মানুষের মধ্যে প্রবণতা দেখা দিয়েছে জুয়ায় টাকা উড়িয়ে দেওয়ার। ঠিক এই ভাবেই সনু হরিজন নামক এক ব্যক্তি বিহারে ভাগলপুরে তার নিজের স্ত্রীকে বাজি রেখেছিল জুয়াড়িদের কাছে। শর্ত ছিল জুয়ায় হেরে গেলে নিজের স্ত্রীকে একমাসের জন্য রাখতে হবে জুয়ায় জয়ী বন্ধুদের কাছে। কিন্তু কিছুতেই রাজি হননি তার স্ত্রী। পরপুরুষের সাথে কিছুতেই যৌনতায় রাজি হয়নি ওই অসহায় মহিলা। তখন ওই স্বামীর বন্ধুরা চড়াও হয় তার বাড়িতে, প্রায় চার থেকে পাঁচজন মিলে সারারাত গণধর্ষণ করে ওই মহিলাকে, মহিলা প্রতিবাদ করায় তার শরীরে অ্যাসিড ঢেলে দেয় তার স্বামী। তারপরে ওই মহিলাকে তার শ্বশুর বাড়িতে আটকে রেখে দেয় তার শাশুড়ি এবং নিজেই তার প্রাথমিক চিকিৎসা করতে থাকে। এক সময় সকলের নজর এড়িয়ে ওই নির্যাতিতা মহিলা বাপের বাড়িতে যান এবং গিয়ে সমস্ত কথা জানান। ‌ তারপরেই মজাহিপুর থানায় ওই মহিলা তাঁর স্বামী এবং তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে ওই মহিলার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ। পাখি অভিযুক্তদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি করা হচ্ছে । অত্যন্ত ঘৃণ্য এবং বর্বরোচিত এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় বয়ে গিয়েছে। 

অনেকেই বলছেন বর্তমান সমাজে এই জুয়ার নেশা এক অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করে দিচ্ছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।