আবারো গণধর্ষণ শহরতলীতে। ১৭ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নিউটাউন এলাকাতে।

7th December 2020 4:12 pm News
আবারো গণধর্ষণ শহরতলীতে। ১৭ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নিউটাউন এলাকাতে।


ভারতজুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। চারিদিকে মৃত্যুর থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। এই সময় মানুষ চাইছেন কোন ভাবে একটু বাঁচার আলো দেখতে। কিন্তু এই সংকটজনক পরিস্থিতির অপরাধ জগতে পরপর নানা অপরাধমূলক কাজকর্ম হয়ে চলেছে ভারতের বুকে। প্রত্যেকদিন খবরের কাগজ খুললেই দেখা যায় খুন ধর্ষণ ও ডাকাতের মতো ঘৃণ্য অপরাধগুলোকে। এক নারকীয় ঘটনা ঘটলো ইকোপার্ক থেকে এক কিলোমিটার দূরে নিউটাউন এলাকাতে। ১৭ বছরের এক কিশোরীকে গণধর্ষণ করে ফেলে রেখে দেয়া হলো।

ঘটনাটি ঘটেছে ইকো পার্ক এলাকা থেকে এক কিলোমিটার দূরে, শনিবার রাত ন'টা নাগাদ।১৭ বছরের ওই নাবালিকা কিশোরী দুই বন্ধুর সাথে নিউটাউনের ওই এলাকাতে বিকেলে ঘুরতে বেরিয়ে ছিলেন। হঠাৎই চার যুবক তাদের লক্ষ্য করে পিছু নেয়। তাদের মধ্যে দুজন ওই কিশোরীকে জঙ্গলের ভেতরে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। এবং আরো দুই কিশোর নাবালিকার ওই দুই বন্ধু দের মারধর করে। তাই বন্ধুরা চেষ্টা করলেও নাবালিকাকে বাঁচাতে পারেনি। তারপরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। 

ওই কিশোরীকে আপত্তিকর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। ওই নাবালিকার বয়ান অনুসারে গ্রেফতার করা হয় দুই যুবককে। পুলিশ জেরা করলে জানা যায় ওই চার যুবক প্রায়শই ওই নাবালিকাকে অনুসরণ করতো। এদিনও তাকে অনুসরণ করে এই অমানবিক ঘটনা ঘটায়। 

ওই চার যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।