অমানবিক ঘটনা ব্যাঙ্গালুরুতে,পুরোহিতের হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা।

28th November 2020 11:37 am News
অমানবিক ঘটনা ব্যাঙ্গালুরুতে,পুরোহিতের হাতে ধর্ষিতা নাবালিকা।


আমাদের চলতে জীবন পথে এমন কিছু ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় যা আমরা কখনোই ভাবতে পারিনা। কিন্তু বর্তমান সমাজ কে মেনে নিয়ে ভবিষ্যতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে হয়। করোনা ভাইরাস আমাদের জীবন যাপনে আতঙ্কের এক ভয়াবহ জাল বিস্তার করেছে। প্রতিটা মানুষই দিন কাটাচ্ছে মৃত্যুভয় কে সঙ্গী করে। বেঁচে থাকাটাই বর্তমান মানুষের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও অপরাধপ্রবণতা কিছুতেই কমছে না মানুষের মধ্য থেকে। রোজকার খবরের কাগজ খুললেই চোখে পড়ে প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে হয়ে চলেছে খুন ধর্ষণ ও ডাকাতির মতো ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনা। সেরকমই এক ঘটনা ঘটলো ব্যাঙ্গালুরুতে। 

পুরোহিত দ্বারা ধর্ষিত হল ১০ বছরের এক নাবালিকা। ওই পুরোহিতের পরিচয় ভেঙ্কটরমনাপ্প। তার জামাই একটি মন্দিরের পুরোহিত। ভেঙ্কটরমনাপ্প দেবনহল্লি অঞ্চলে মঙ্গলবার মন্দিরে পুজো দিতে আসেন জামাইয়ের বাড়িতে। মেয়ে ও জামাইয়ের বাড়ির পাশে এক প্রতিবেশী শিশুকন্যাকে দেখতে পায় ভেঙ্কটরমনাপ্প। অভিযোগ তুই শিশুকন্যাটি বাড়ির সামনেই খেলাধুলা করছিল। তাকে দেখতে পেয়ে জামাই ও মেয়ের অনুপস্থিতিতে তাকে সন্দেশ খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে বাড়ির ভেতরে ডেকে নিয়ে যায়। তারপরে ওই পুরোহিত শিশুকন্যাটিকে ধর্ষণ করে।

ওই মেয়েটির পরিবার খোঁজাখুঁজি শুরু করলে এক দোকানি জানায় তিনি বাচ্চাটিকে ওই পুরোহিতের সাথে যেতে দেখেছে।তারপর এই মেয়েটির মা পুরোহিতের বাড়িতে এসে দেখে মেয়েটি অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে কাঁদছে। তার পরেই মেয়েটির মা-কে সব কথা খুলে জানায়। মেয়েটির কথা অনুযায়ী তার মা-বাবা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়।

পুলিশ সব কিছু তদন্ত করে ভেঙ্কটরমনাপ্পকে গ্রেফতার করে এবং ওই পুরোহিত সব স্বীকারও করে নেয়। নাবালিকার পরিবার ওই পুরোহিতের যথাযথ শাস্তির দাবি করেছেন।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।