বস্তাবন্দি তরুনীর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল একবালপুরে।

19th November 2020 12:32 pm News
বস্তাবন্দি তরুনীর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল একবালপুরে।


এক তরুনীর মৃতদেহ উদ্ধার হল বস্তাবন্দি অবস্থায়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল একবালপুর এলাকায়। 
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে গতকাল রাতে প্রায় দুটো নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান যে মওলানা মহম্মদ আলী রোডে রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে একটি মুখ বন্ধ বস্তা। এরকম হঠাৎ রাস্তার ধারে ভারী বস্তা পড়ে থাকতে দেখে যথেষ্ট সন্দেহ হয় এলাকার বাসিন্দাদের। সাথে সাথে তারা খবর দেয় স্থানীয় একবালপুর থানায় । একবালপুর থানার পুলিশ এসে ওই বস্তাটি খুলে দেখে তার মধ্যে রয়েছে এক তরুণীর মৃতদেহ। মৃতদেহটিকে দুমড়ে-মুচড়ে বস্তায় ঢোকানো হয়েছিল। 

এরপর একবালপুর থানার পুলিশ ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। হঠাৎ করে তরুনীর মৃতদেহ উদ্ধারে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে ওই এলাকায়। পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অনুমান করছেন যে, ওই তরুণী সম্ভবত কাছে পিঠের কোন জায়গার বাসিন্দা হতে পারেন। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে ওই তরুণীকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে । ওই তরুণীর গলায় ফাঁস দেওয়ার গভীর দাগ পাওয়া গিয়েছে । তরুণীর মৃত্যু তদন্তে স্নিফার ডগ নিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে এলাকাজুড়ে। তবে স্নিফার ডগ অপরাধীকে খুঁজে বের করার মত কোন সূত্র সেখানে পায়নি। 

পুলিশ অনুমান করছে অন্য কোথাও খুন করে ওই তরুণীকে দুমড়ে মুচড়ে বস্তায় ভরে সেখানে ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। আবার অনেকে মনে করছেন দুষ্কৃতী ওই এলাকার কোন বাসিন্দা হতে পারেন। সমগ্র এলাকাজুড়ে স্নিফার ডগ দিয়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।