শেষ হয়েছে প্রতিমা নিরঞ্জন। গঙ্গার দূষণ রোধে সক্রিয় ভূমিকা কলকাতা পুরসভার।

27th October 2020 12:57 pm News
শেষ হয়েছে প্রতিমা নিরঞ্জন। গঙ্গার দূষণ রোধে সক্রিয় ভূমিকা কলকাতা পুরসভার।


বেজে উঠেছে বিষাদের সুর। এবার মায়ের বিদায়ের পালা। এই করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও বাঙালি পেয়েছে দূর্গাপূজার আমেজ। তবে এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে সেই চেনা পরিচিত দূর্গা পূজার আনন্দটায় বেশ ভাটা পড়েছে। 

গতকাল দশমীতে মায়ের প্রতিমা বিসর্জিত হয়েছে। কলকাতার প্রায় দুই হাজার প্রতিমা গঙ্গার বুকে বিসর্জিত হয়েছেন। কিন্তু এর মধ্যেই দানা বেঁধে উঠেছে গঙ্গার দূষণের বিষয়টি। এই গঙ্গার দূষণের ব্যাপারটি রোধ করার জন্য অতি সক্রিয় হয়ে রয়েছে কলকাতা পুরসভা। 

কলকাতা পুরসভা অতি তৎপরতার সঙ্গে শুরু করেছে গঙ্গা স্থিত ঘাট গুলিকে পরিষ্কার করা। বিসর্জিত প্রতিমার কাঠামো গুলি কে গঙ্গার বুক থেকে অতি দ্রুত তুলে ফেলছে পুরসভা। এছাড়াও প্রতিমার ফুল সহ পূজার আনুষঙ্গিক জিনিসগুলি কেও গঙ্গার বুক থেকে তুলে ফেলছে কলকাতা পুরসভা। 

গঙ্গার বুকে ক্রমাগত টহল দিয়ে চলেছে কলকাতা পুলিশের স্পিডবোট। এছাড়াও স্পিডবোটে কলকাতা পুলিশের রিভার ট্রাফিক এবং ডিএমজির টিম ডিউটিতে রয়েছে। গঙ্গার বুকে ভাসমান প্রতিমার কাঠামো ছাড়াও পূজার সমস্ত উপকরণ গুলি যা গঙ্গায় ভাসানো হয়েছে, সেগুলি সবকিছু তুলে ফেলা হচ্ছে। 

এছাড়াও শৃঙ্খলার এবং সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে কলকাতার মোট ২৪ টি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলিতে প্রায় ৩০০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।