জানেন কি এই অভিনেত্রী কেও গোপনে বিয়ে করেছিলেন মিঠুন?

22nd October 2020 12:05 pm Information
জানেন কি এই অভিনেত্রী কেও গোপনে বিয়ে করেছিলেন মিঠুন?


৯০ এর দশকের নায়ক মিঠুন চক্রবর্তী, ৯০ এর দশকে মিঠুন চক্রবর্তী বলিউড ও টলিউড কাঁপিয়ে অভিনয় করেছেন। বাংলা সিনেমার সাথে সাথে হিন্দি সিনেমাতেও তাঁর প্রতিভা মনোমুগ্ধকর। সিনেমা জগতে সাফল্যের চূড়ায় আসীন হ‌ওয়ার জন্য তাঁকে অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছে। তিনি তাঁর দক্ষ অভিনয় ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আজ এই উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছেছেন। নামকরা অভিনেত্রীরা তার সাথে কাজ করার জন্য অপেক্ষা করে থাকতেন। 
১৯৭৬ সালে "দো আনজানে" এই হিন্দি সিনেমা দিয়েই তার অভিনয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। 

বাংলার এই প্রতিভাবান অভিনেতার সুনাম যেমন আছে সেইসঙ্গে বেশ কিছু বিতর্ক‌ও জড়িয়ে রয়েছে ! একাধিক বিবাহ ও প্রনয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন বলে বিতর্ক রয়েছে তাঁকে ঘিরে।  à¦¤à¦¾à¦à¦° প্রথম বিবাহ হয় স্বনামধন্য অভিনেত্রী যোগিতা বালির সঙ্গে । পরে জানা যায় তিনি এর আগেও বিবাহ সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। তবে এই বিবাহের কথা অনেকের কাছেই অজানা। তার প্রথম বিবাহ হয়েছিলো অভিনেত্রী হেলেনা লিউ কই এর সাথে হয়। হেলেনা ছিলেন ১৯৮০ সালের জুদাই ছবির অভিনেত্রী। তবে এই বিবাহ গোপনে করা হয়েছিল বলে জানা যায়। দুর্ভাগ্যবশত মিঠুন ও হেলেনের এই সম্পর্কের ইতি হয়ে যায় মাত্র চার মাস পর। নিজের ইচ্ছায় মিঠুন এই বিবাহবিচ্ছেদ করে দেন। এই বিবাহবিচ্ছেদের কিছু সময় পর যোগীতার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মিঠুন চক্রবর্তী।

শুধু বিয়ে নয় বিবাহের আগে প্রনয়ের সম্পর্কও ছিল  à¦…নেকের সাথেই। তারমধ্যে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সারিকা ও শ্রীদেবীও ছিলেন। মিঠুন চক্রবর্তী এক সাক্ষাৎকারে নিজেই বলেছিলেন গোপনে শ্রীদেবী ও তাঁর বিবাহের কথা। 

যোগিতা বালির সঙ্গে বিবাহ সম্পর্ক থাকার দরুনও শ্রীদেবীকে লুকিয়ে বিয়ে করেছিলেন তিনি। পরে এই গোপন বিষয়টি  à¦¯à§‹à¦—িতা বালি জেনে যাওয়ার কারণে শ্রীদেবীর সঙ্গে বিবাহের এই সম্পর্কে ইতি টানতে বাধ্য হয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।