আজ কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছে রাজ্যবাসী। কলকাতা হাইকোর্ট এর আগে রায় দিয়েছিলো যে, রাজ্যের পূজামণ্ডপগুলোতে ঢুকতে পারবেন না সাধারন মানুষ, রীতিমতো ব্যারিকেড দিতে হবে পূজামণ্ডপে, এবং সেই সাথে মণ্ডপের সামনে শুধু থাকবেন পূজা কমিটির সদস্যরা। এই রায়কে পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবার হাইকোর্টে আপিল করেছিলো, কলকাতা দূর্গা পূজা ফোরাম কমিটি। আজ সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট অবশেষে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে রাজ্যবাসীকে। কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে,
যে মন্ডপগুলি অন্তত ৩০০ বর্গমিটার এরিয়া জুড়ে বিস্তৃত, সেই মন্ডপ গুলিতে কমপক্ষে ৬০ জন দর্শনার্থী প্রবেশ করার অনুমতি পাবেন। একই সময়ে মোট ৪৫ জন মন্ডপে উপস্থিত থাকতে পারবেন। মণ্ডপে পূজা কমিটির সদস্যদের নামের তালিকা বড়ো মন্ডপের ক্ষেত্রে সকাল ১০ টা এবং ছোটো মন্ডপের ক্ষেত্রে দুপুর আড়াইটের মধ্যে এই তালিকা টাঙাতে হবে।
এছাড়াও কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে, নো এন্ট্রি জন গুলির মধ্যে ঢাকিদের রাখা যাবে, এবং তাদেরকে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। মণ্ডপ গুলি কে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর স্যানিটাইজ করতে হবে।
সন্ধিপূজা এবং সিঁদুর খেলার জন্য ছোট মণ্ডপগুলোতে ১৫ জন থাকতে পারবেন, এবং ধাপে ধাপে এলাকার লোক ওই মণ্ডপে ঢুকতে পারবেন। বড় মন্ডপ গুলির ক্ষেত্রে একসাথে ৪৫ জন পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারবেন।
এছাড়াও হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে প্রতিদিন পুজো কমিটির যে সব সদস্য মণ্ডপে উপস্থিত থাকবেন, তাদের তালিকা বদল করা যেতে পারে।
এই রায়ের ফলে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন রাজ্যবাসী। স্বস্তিতে পেয়েছেন মন্ডপের আশেপাশে বসা ছোটোখাটো স্ট্রিট ফুড সহ অন্যান্য দোকানের মালিকেরাও। এই দূর্গাপূজাকে ঘিরে বহু মানুষের রুজি রুটির সংস্থান হয়ে থাকে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই রুজি-রুটির সংস্থান বন্ধ হতে বসেছিলো। আজ কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ে, বেশ কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন সেই সব ছোট ছোট দোকানদারেরা।