বর্তমানে প্রায় প্রতিটি মানুষেরই পছন্দের খাদ্যতালিকায় ডিমের উল্লেখ থাকবেই। ডিম সিদ্ধ , ডিমের পোচ, ডিমের ওমলেট, এবং এছাড়াও ডিমের বিভিন্ন পদ মানুষের অতি প্রিয় পছন্দের খাদ্য তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। ডিমের রয়েছে এমনই বেশকিছু পুষ্টিগুণ এই খাদ্য প্রস্তুতিতে করে তুলেছে অনন্য। মানুষের শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান গুলির যোগান দেয় এই ডিম। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি একটি করে ডিম রাখতে পারেন তাহলে শরীরের প্রভূত উপকার পাবেন আপনি। তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই ডিম খাবেন।
তাহলে আসুন একবার দেখে নিন কি কি পুষ্টিগুণ রয়েছে এই ডিমের -
১) ডিমের যেকোনো রান্নার মধ্যে ডিম সিদ্ধ মানব শরীরে তুলনামূলকভাবে বেশি উপকার করে থাকে।
২) মানব শরীরের পেশী গুলি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে ডিম। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩) মানব শরীরে যকৃতের কাজ কর্ম কে ত্বরান্বিত করে ডিম।
৪) অবসাদ এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে ডিম। তাই যারা মাঝেমধ্যে মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যান, তাঁরা অবশ্যই ডিম খেয়ে দেখতে পারেন। এর কারণ হলো ডিম মানব শরীরের মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রনে রাখে।
৫) ডিমে রয়েছে বেশ কিছু উপকারী খনিজ উপাদান যেমন- পটাশিয়াম, জিঙ্ক এবং আয়রন। যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ এবং উপকারী কাজগুলি সম্পাদন করতে সাহায্য করে।
৬) শরীরকে রোজকার প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে হলে প্রতিদিন একটি সেদ্ধ ডিম যথেষ্ট।
৭) ডিম মানব শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৮) ডিমের সাদা অংশটি হলো প্রোটিন । এই প্রোটিন অংশটি কে বলে অ্যালবুমিন। এই প্রোটিন এর মধ্যে ৮০ ক্যালোরি শক্তি থাকে। কুসুম এর মধ্যে ততটা প্রোটিন পাওয়া যায় না।
৯) ডিমের মধ্যে থাকে ভিটামিন এ এবং ডি। ভিটামিন ডি অস্থি মজবুত করে, এবং ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি কে বৃদ্ধি করে।
১০) ডিমের এই পুষ্টিগুণ গুলিকে লক্ষ্য করে অনেকেই ডিমকে সুষম খাদ্যের তকমা দিয়েছেন। প্রোটিনের সেরা উৎস হল ডিম। বিশেষত হাফ বয়েল ডিম প্রোটিনের অন্যতম উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।