আজ মহাত্মা গান্ধীর ১৫১ তম জন্মদিনে জেনে নিন তাঁর সম্পর্কিত কিছু তথ্য যা অনেকেরই অজানা।

2nd October 2020 10:10 am Information
আজ মহাত্মা গান্ধীর ১৫১ তম জন্মদিনে জেনে নিন তাঁর সম্পর্কিত কিছু তথ্য যা অনেকেরই অজানা।


আজ জাতির জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর ১৫১ তম জন্মবার্ষিকী। তাঁর হাত ধরেই কয়েকটি বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমেভারতবর্ষে কায়েম থাকা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে গিয়েছিলো। তাঁর দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনোভাব এবং অন্যায়ের সাথে আপোষহীন সংগ্রামের মাধ্যমে ভারতে স্বাধীনতার পথ অনেকটাই ত্বরান্বিত হয়েছিলো। শ্রদ্ধেয় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুও একসময় তাঁর সহকর্মী ছিলেন কংগ্রেসে। দেশ ও জাতির প্রতি তার এই অবদানের জন্য তাঁকে জাতির জনক আখ্যায় ভূষিত করা হয়েছে। আজ তাঁর জন্মদিনে জেনে নিন মহাত্মা গান্ধীর সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য যা অনেকেরই হয়তো অজানা। 

১) মহাত্মা গান্ধী পাঁচবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, কিন্তু এই পুরস্কার তাঁকে দেওয়া হয়নি। নোবেল প্রাইজ কমিটি এইজন্য পরবর্তী কালে অত্যন্ত আক্ষেপ করেছিলেন। 

২) শুধুমাত্র ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়াই নয়, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ৪ টি মহাদেশে এবং ১২ টি দেশে মানবাধিকার রক্ষার উদ্দেশ্যে আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন। 

৩) মহাত্মা গান্ধী প্রতিটি মানুষের কাছে এতটাই প্রিয় ছিলেন যে, তাঁর মৃত্যুর পর তার শেষ যাত্রা ছিল ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। এতটাই জনসমাগম হয়েছিল তাঁর শেষ যাত্রায় । 

৪) ব্রিটেনের সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন আন্দোলন চালিয়েছেন। সেই ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট, মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর ২১ বছর পর , তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর ছবি দেওয়া একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। 

৫) মহাত্মা গান্ধী বৃদ্ধ বয়সেও প্রতিদিন প্রায় ১৭ থেকে ১৮ কিলোমিটার হাঁটতেন। তাঁর সারা জীবনকালে হাঁটার ব্যাপ্তি ধরলে দেখা যাবে যে এই হাঁটার পথের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী ২ বার সারা পৃথিবীকে পরিক্রমণ করা যাবে। 

৬) মহাত্মা গান্ধী নিয়মিত চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতেন বহু বিখ্যাত ব্যক্তির সাথে। তার মধ্যে ছিলেন, অ্যাডলফ্ হিটলার, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, টলস্টয় সহ বহু বিখ্যাত ব্যাক্তিত্ব। 

৭) জহরলাল নেহেরু যখন স্বাধীনতার দিন তাঁর বিখ্যাত স্বাধীনতা সম্পর্কিত ভাষণ প্রদান করেছিলেন, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি মহাত্মা গান্ধী। 

৮) তাঁর জীবনের শেষ প্রান্তে উপস্থিত হয়ে, তিনি দলের মধ্যে কোনরকম পদে আসীন হননি। 

৯) স্টিভ জোবস যিনি ছিলেন বিখ্যাত অ্যাপল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা, তিনি মহাত্মা গান্ধীর একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। স্টিভ যে গোল ফ্রেমের চশমা পরতেন, সেটি মহাত্মা গান্ধীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন জানিয়ে পরতেন। 

১০) মহাত্মা গান্ধী নকল দাঁতের পাটি ব্যবহার করতেন। সেটি তিনি সবসময়ই নিজের সাথে নিয়ে রাখতেন। 

১১) মহাত্মা গান্ধী ইংরেজি শব্দ উচ্চারণ করতেন কিছুটা আইরিশ ঢঙে। কারণ, তাঁর জীবনের প্রথম শিক্ষক ছিলেন একজন আইরিশ। 

১২) তাঁর এই অবদান কে সম্মান জানিয়ে, মহাত্মা গান্ধীর নামে ভারতবর্ষের ৫৩ টি অন্যতম বড়ো রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়াও ভারতের বাইরের দেশগুলিতে অন্তত ৪৮ টি অন্যতম রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে তাঁর নামে। 
 
১৩) দেশের বাইরে গান্ধীজী অন্তত তিনটি ফুটবল ক্লাব কে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করেছিলেন। ক্লাব গুলি ছিল ডারবান, জোহানেসবার্গ, এবং প্রিটোরিয়া তে। ক্লাবগুলির এক‌ই নাম দেওয়া হয়েছিল- প্যাসিভ রেসিস্টার সকার ক্লাব। 

১৪) মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর সময় তিনি যে পোশাক পরেছিলেন সেটি এবং তাঁর সম্পর্কিত সমস্ত কিছু মাদুরাইয়ের গান্ধী মিউজিয়ামে সংরক্ষিত রয়েছে।





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।