দেখুন, জীবনের এক অন্যতম কঠোর সত্যি। চিনে নিন প্রকৃত মানুষকে।

1st October 2020 10:41 am Information
দেখুন, জীবনের এক অন্যতম কঠোর সত্যি। চিনে নিন প্রকৃত মানুষকে।


শুরুটা করা যাক এক গল্পের মাধ্যমে। একদিন কোন এক আনন্দঘন দিনে, এক দম্পতি চিড়িয়াখানা বেড়াতে গেলেন। স্বামী স্ত্রী এসে দাড়ালেন বানরের খাঁচার সামনে। সেখানে গিয়ে à¦¤à¦¾à¦à¦°à¦¾ দেখলেন, স্ত্রী বানর এবং পুরুষ বানরটি একে অপরের সাথে বেশ খুনসুটিতে মেতে আছে। তাদের এই খুনসুটি দেখে স্ত্রী বেজায় অভিভূত হলেন এবং তাঁর স্বামীকে বললেন, "দেখো, ওদের মধ্যে কি সুন্দর প্রেম রয়েছে।" এর উত্তরে তাঁর স্বামী কিছু বললেন না। চুপচাপ তাঁর স্ত্রীর পাশে হাঁটতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পরেই তারা পৌঁছালেন সিংহের খাঁচার সামনে। কিন্তু সেখানে পৌঁছে তাঁরা দেখলেন সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্য। তাঁরা দেখলেন, সিংহটি একপাশে চুপচাপ বসে রয়েছে এবং অন্য প্রান্তে সিংহী মুখ ঘুরিয়ে বসে রয়েছে। এই দৃশ্য দেখে স্ত্রী বেশ বিমর্ষ হয়ে পড়লেন। তিনি তাঁর স্বামীকে বললেন, "দেখো এত শক্তিশালী হিংস্র জানোয়ারের মধ্যে একটুও প্রেমের স্পর্শ নেই।"
এতক্ষণ পর তার স্বামী নীরবতা থেকে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, "এক কাজ করো, এই পাথরের টুকরো টি ওই সিংহীটির দিকে ছুড়ে মারো।" স্বামীর কথা মতোই স্ত্রী পাথরের টুকরো নিয়ে সিংহী টির দিকে ছুঁড়ে মারলেন। আর সাথে সাথে সিংহটি উঠে দাঁড়িয়ে বেশ গর্জন করতে শুরু করল।  à¦¸à¦¿à¦‚হীটির দিকে পাথর ছোঁড়া মাত্রই তার সঙ্গিনীর জীবন রক্ষার্থে পুরুষসিংহ টি রীতিমতো ঢাল হয়ে দাঁড়াল তার সঙ্গিনীর সামনে। এই দৃশ্য দেখে বেশ অবাক হয়ে গেলেন ওই স্ত্রী লোকটি। তারপরে তাঁর স্বামী তাঁকে নিয়ে গেলেন বানরের খাঁচার সামনে। সেখানে তিনি আগের মতই স্ত্রী বানরটিকে পাথর ছুঁড়ে মারতে বললেন তাঁর স্ত্রীকে। এবারে দেখা গেলো সম্পূর্ণ বিপরীত দৃশ্য। স্ত্রীলোকটি বানরটির দিকে দিকে পাথর ছোঁড়া মাত্রই ভয়ে পুরুষ বানরটি তার সঙ্গিনীকে একা ফেলে প্রাণভয়ে পালিয়ে গেল। তখন ওই স্ত্রীলোকটির স্বামী বললেন, "সব সময় ভালোবাসা দেখালেই অন্তর থেকে প্রকৃত ভালোবাসার মানুষ হওয়া যায় না। উপযুক্ত সময় এলেই মানুষের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়।" 

ঠিক এ রকমই আমাদের সমাজের বহু মানুষ এমনই আছেন যারা তাদের সঙ্গিনীর কাছে মিথ্যা অনুভূতি এবং আবেগ প্রকাশ করেন। অনেকেই প্রকৃত ভালোবাসার মানুষ হওয়ার মুখোশ পড়ে থাকেন। অনেকেই অন্যকে প্রতারিত করে থাকেন এবং সারাটা জীবন শুধুমাত্র ভালোবাসার অভিনয় করে যান তাদের সঙ্গিনীর সাথে। কিন্তু উপযুক্ত সময়ে তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য গুলি ঠিক প্রকাশিত হয়ে যায়। 

আবার অনেক মানুষ এমনই আছেন যারা তাদের অন্তরের অনুভূতি প্রকাশ করেন না তাদের সঙ্গিনীর কাছে। কিন্তু তারা প্রকৃত অর্থেই তাদের সঙ্গিনীকে জীবনের চাইতেও বেশি ভালবেসে থাকেন। কিন্তু তাঁরা তাঁদের এই অনুভূতি কে সবসময়ই নিভৃতে রাখতে চান। অনেকেই আছেন যারা বাইরে প্রকাশ করেন না, কিন্তু তাঁরা প্রকৃত অর্থেই প্রেমের সঠিক মর্যাদা দিয়ে থাকেন, তাঁরা উপযুক্ত সময়ে সব সময় সঙ্গিনীর পাশে থাকেন। এই সমস্ত মানুষদের ভালবাসার গভীরতা টা সীমাহীন। কিন্তু বর্তমান সমাজের এটাই দুর্ভাগ্য যে, বানরের মতো লোক দেখানো ভালোবাসা মানুষ সব থেকে বেশি আপন করে নেয়। এমনকি এই ধরনের কৃত্রিম ভালোবাসার উদাহরণ দিয়ে থাকি আমরা। একজন প্রকৃত মানুষ বিপদের সময় কখনোই তার সঙ্গীকে একা ফেলে পালিয়ে যান না। উপরন্তু তিনি তার সঙ্গীর বিপদে ঢাল হয়ে দাঁড়ান। 
তাই আমাদের প্রত্যেককে প্রকৃত ভালোবাসার মানুষকে সুস্পষ্টরূপে চিনতে হবে। তবেই আমরা প্রকৃত ভালবাসার স্পর্শ পেতে পারবো।





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।