ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংসের কথা আমরা সকলেই জানি। এই মসজিদ ধ্বংসের পর থেকেই ব্যাপকভাবে এই ইস্যুতে বারবার সোচ্চার হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর আজকে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের রায় বেরোনোর কথা প্রকাশিত হয়েছিল। সেইমতো আজ সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত বাবরি মসজিদ ধ্বংসের রায়দান করেছে।
জানা গিয়েছে বাবরি হামলার প্রসঙ্গে আদালত জানিয়েছে এই ঘটনা কখনোই পূর্বপরিকল্পিত নয়, এই ঘটনা ঘটেছে হঠাৎ করে। এর জন্য কেউই আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখেনি। এবং যে ভীড় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে, তাদের মধ্যে সকলেই করসেবক ছিলেন না। পার্শ্ববর্তী হিন্দু মঞ্চ থেকে কেউই তাদের উস্কানি দেয় নি। সম্পূর্ণ আচমকাই এই ঘটনা ঘটে গিয়েছে। বিচারক রায় দান প্রসঙ্গে বলেছেন, "বাবরি মসজিদ মামলার কোনরকম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য প্রমাণ নেই সিবিআই এর কাছে। এমনকি যে ছবিটি তোলা হয়েছে, সিবিআই এর কাছে সেই ছবিটির কোন রকম নেগেটিভ প্রিন্ট নেই। তাই এই মামলায় সকলকেই বেকসুর ঘোষণা করা হলো।"
বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় বেকসুর ঘোষিত হলেন, লালকৃষ্ণ আদবানি, উমা ভারতী, সতীশ প্রধান, মুরলী মনোহর, মহন্ত নিত্যগোপাল দাস এবং সাক্ষী মহারাজ সহ অন্যান্যরা সকলেই বেকসুর ঘোষিত হয়েছেন।
আদালতকক্ষে রায় ঘোষণা হওয়ার পরেই 'জয় শ্রীরাম ধ্বনি'তে মুখরিত হতে থাকে আদালত কক্ষ। তবে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড জানিয়েছে যে, এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবে।
আজ আদালত চত্বরে ছিল আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে আদবানী- উমাদের। ১৯৯২ সালে ঘটা এই ঐতিহাসিক মামলার রায় দানে কিছুটা স্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব।