এক ভারতীয় কিনে নিয়েছেন একসময়ে ভারতের প্রশাসক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে

29th September 2020 9:56 am Information
এক ভারতীয় কিনে নিয়েছেন একসময়ে ভারতের প্রশাসক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে


ভারতে ব্রিটিশ রাজের সূত্রপাত হয়েছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে। ‌এক সময় ভারতে বানিজ্য করতে আসা এই ব্রিটিশ কোম্পানি কাল ক্রমে ভারতের প্রশাসনিক ক্ষমতা দখল করে নিয়েছিল। সুদীর্ঘ ১০০ বছর ধরে এই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের বুকে চালিয়েছিল লাগামছাড়া শোষণ , নিপীড়ন। ১৬০০ সালে এই কোম্পানি যাত্রা শুরু করেছিল। ভারতে এই কোম্পানি মুঘল সম্রাট ফারুকশিয়ারের ছাড়পত্র পেয়ে ব্যবসা শুরু করে ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে। তারপরেই বাংলার নবাব সিরাজদ্দৌল্লাকে সরানোর জন্য নবাবের সেনাপতি মীরজাফরের সাথে ষড়যন্ত্র করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। তারপরেই ১৭৫৭ সালে ইতিহাসের বিখ্যাত পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌল্লাকে হারিয়ে দেয় এবং হত্যা করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। স্বাধীনতা হারায় গৌরবময় ভারত বর্ষ। তারপর সুদীর্ঘ ১০০ বছর ধরে শাসন করার নামে এই ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে চালিয়েছিল অকথ্য অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন এবং ভয়াবহ শোষণ। এই ভয়াবহ নিপীড়নের প্রতিবাদস্বরূপ ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক' সিপাহী বিদ্রোহ। তারপরেই ভারতের শাসনভার নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন ব্রিটিশ  মহারানী ভিক্টোরিয়া। তারপরেও সুদীর্ঘ ১০০ বছর ভারতে ব্রিটিশ রাজ চলেছিলো। 

তারপরই ক্রমশ জৌলুস হারাতে থাকে প্রাচীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আস্তে আস্তে আস্তে স্তিমিত হয়ে পড়ে। পরবর্তীকালে ২০০০ সালের পর এই কোম্পানির যারা শেয়ারহোল্ডার ছিলেন তারা বিভিন্নভাবে নানান ব্যবসার মাধ্যমে এই কোম্পানিকে আবার নিজের মর্যাদায় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা করেছিলেন। 
এরপরেই ঘটে সেই গৌরবময় ঘটনা। কি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১০০ বছর ধরে ভারতের বুকে শাসন চালিয়েছিল, সেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কে ২০০৫ শালী কিনে নিয়েছেন এক ভারতীয় ব্যবসায়ী। এই কোম্পানিকে তিনি পরিণত করেছেন বিভিন্ন ধরনের বিলাসবহুল খাবার এবং দামি ব্র্যান্ডের চা, কফি ইত্যাদি সরবরাহ করার এক গৌরবময় কোম্পানি স্বরূপ। ওই ভারতীয় ব্যবসায়ীর নাম হল সঞ্জীব মেহতা। একদিকে যেমন রতন টাটা ব্রিটিশ কোম্পানি ল্যান্ড রোভার এবং জাগুয়ার কে কিনে নিয়েছেন, তেমনি এই ভারতীয় ব্যবসায়ী সঞ্জীব মেহতা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে কিনে নিয়ে এক গৌরবময় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। 
অবশ্য তিনি বলেছেন, বর্তমান এই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শুধুমাত্র একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। প্রাচীনকালে যেমন এই কোম্পানির ব্যবসা করতে গিয়ে প্রশাসনিক দিকে হিংসার সূচনা করেছিল তেমনি বর্তমানের এই কোম্পানি মানুষের স্বার্থের অনুকূলে কাজ করছে।





Others News

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।

অর্থ ভাগ্য ফেরানোর জন্য বাড়িতে এই কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন। ফল পাবেন চমৎকার।


প্রতিটি মানুষ চান তার জীবন হোক সুখে এবং স্বাচ্ছ্যন্দে ভরপুর। সেই লক্ষ্যে সকলেই পরিশ্রম করে থাকেন। পরিশ্রম ব্যতীত কখনোই সাফল্য চট করে ধরা দেয় না। তবে অনেক সময় দেখা যায় অত্যধিক পরিশ্রম করেও  ‌ কিছুতেই অর্থ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হচ্ছে না । এর জন্য অনেকেই বিভিন্ন জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে থাকেন। তবে অর্থভাগ্য ফিরিয়ে আনতে গেলে , বাড়িতেই আপনি এমন কয়েকটি জিনিস রাখতে পারেন যা আপনার জীবনে টাকা-পয়সার বর্ষণ ঘটিয়ে দেবে । দেখে নিন কি কি সেই জিনিস - 

১) চন্দন কাঠের টুকরো

চন্দন কাঠ অথবা চন্দন কাঠের কোন টুকরো বাড়িতে রাখলে এগুলি বাড়ির পক্ষে খুবই শুভ বলে বিবেচিত হয়। কোন অশুভ শক্তি বাড়ির মধ্যে তার প্রভাব ফেলতে পারে না। 

২) ঘিয়ের শিশি

বাড়িতে ঘুমের প্রদীপ জ্বালিয়ে ভগবানের সামনে রাখলে আর্থিক উন্নতি হয় খুবই দ্রুত। ঘিয়ের শিশি রেখে দিতে হবে বাড়িতে ঠাকুরঘরে‌ ।

৩) ময়ুরপালক

বাড়িতে ময়ূর পালক রাখা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ময়ূর পালক রাখলে কোন নেগেটিভ এনার্জি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না, এবং আর্থিক উন্নতি হয় তাড়াতাড়ি। ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মাথায় ময়ূরের পুচ্ছ বিরাজ করতো। 

৪) মধুর শিশি

বাড়িতে মধু রাখা অত্যন্ত শুভ বলে অনেক হিন্দুরাই মনে করেন। মধু আর্থিক উন্নতিতে একান্তই সহায়ক। 

৫) বাঁশি

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে সব সময় ধরা থাকত বাঁশি। বাড়িতে বাঁশি রাখলে, আর্থিক উন্নতি হয় দ্রুত গতিতে। 

৬) দক্ষিণামুখী শঙ্খ

ঠাকুর ঘরে ঠাকুরের কাছে দক্ষিণামুখী শঙ্খ রাখলে এবং রোজ সেই শঙ্খে জল দিলে আর্থিক উন্নতি আপনার কেউ আটকাতে পারবেনা।