সাধারণ মানুষের শ্রমজীবী বাজারের সূচনা সিপিএমের। পিঁয়াজ ৪০ টাকা প্রতি কিলো, আলু বিকোচ্ছে ৩০ টাকা প্রতি কিলো দরে।

28th September 2020 4:45 pm News
সাধারণ মানুষের শ্রমজীবী বাজারের সূচনা সিপিএমের। পিঁয়াজ ৪০ টাকা প্রতি কিলো, আলু বিকোচ্ছে ৩০ টাকা প্রতি কিলো দরে।


করোনা মহামারীর এই আবহের মধ্যে বহু মানুষের রুজি-রুটির সংস্থান অন্ধকারে পর্যবসিত হয়েছে। অনেকেই কাজ হারিয়ে দুর্দশার চরমসীমায় উপনীত হয়েছেন। বহু মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তার উপরে আগুনে ঘি হয়ে উপস্থিত হয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং সবজির আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি। খুচরো এবং পাইকারি বাজারে আলু থেকে শুরু করে, ক্যাপসিকাম, পিঁয়াজ, লঙ্কা, টমেটো সহ অন্যান্য সবজির দাম এতটাই বেড়েছে, যা কিনতে কালঘাম ছুটছে মধ্যবিত্তের। এই পরিস্থিতিতে, সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাড়ালো সিপিএম নেতৃত্ব। দক্ষিণ কলকাতায় এর আগেই ক্যান্টিন স্থাপন করেছে সিপিএম। এবার উত্তরে সাধারণ মানুষের জন্য শ্রমজীবী বাজার স্থাপন করল সিপিএম। এই বাজার তারা স্থাপন করেছে কুমোরটুলির সন্নিকটে মদনমোহন তলার কাছে। প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে প্রায় বেলা সাড়ে দশটা পর্যন্ত এই বাজার চালু রাখছে সিপিএম নেতৃত্ব। 

নিত্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সবজি বলতে গেলে পাওয়া যাচ্ছে এই বাজারে অত্যন্ত সুলভ মূল্যে। বাজার চলতি দামের থেকে অত্যন্ত কম দামের মধ্যে সবজি বিক্রি করা হচ্ছে এই বাজারে। 
যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই সবজির আকাশছোঁয়া দামে নাভিশ্বাস উঠছে মধ্যবিত্তের, সেখানে সিপিএমের এই উদ্যোগ সকলের প্রশংসা পেয়েছে। 

এমনিতেই খোলাবাজারে ক্যাপসিকাম বিক্রি করা হচ্ছে প্রায় ১৪০ টাকা প্রতি কেজিতে, সেখানে সিপিএমের এই সমাজেরই বাজারে ১ কেজি ক্যাপসিকাম পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬০ টাকায়। চন্দ্রমুখি আলুর খোলা বাজারে দাম ছুঁয়েছে প্রায় ৪০ টাকা প্রতি কেজিতে, সেখানে শ্রমজীবী বাজারে চন্দ্রমুখি আলু পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে। পিঁয়াজের দাম খোলা বাজারে প্রায় ৬২ থেকে ৬৪ টাকা কেজিপ্রতি, সেখানে এই  শ্রমজীবী বাজারে প্রতি কেজি পিঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৩৮ থেকে ৪০ টাকা কেজি প্রতিতে। 
এছাড়াও এই বাজারে খুবই সস্তায় পাওয়া যাচ্ছে শসা, পটল, ঝিঙে, লাউ, বরবটি, বেগুন, টমেটো, ঢেঁড়স প্রভৃতি। 

এই শ্রমজীবী বাজারের সবজির ন্যায্য মূল্য সকলের উৎসাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই এই বাজারে লোক সমাগম ঘটছে বেশ ভালো রকমই। তবে সিপিএম নেতৃত্ব এই বাজারে সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছেন যে, এই কঠিন পরিস্থিতিতে  নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।