স্ত্রীকে দেহ ব্যবসায় নামতে জোর করেছিল স্বামী। স্ত্রী রাজি না হওয়ায় স্বামীর মদতে তার চার বন্ধু মিলে গণধর্ষন করল স্ত্রীকে।

24th December 2020 1:25 pm News
স্ত্রীকে দেহ ব্যবসায় নামতে জোর করেছিল স্বামী। স্ত্রী রাজি না হওয়ায় স্বামীর মদতে তার চার বন্ধু মিলে গণধর্ষন করল স্ত্রীকে।


এক জঘন্য ঘটনা ঘটেছে মালদার বুকে। স্ত্রীকে দেহ ব্যবসায় নামতে জোর করেছিল তার স্বামী। স্ত্রী রাজি না হওয়ায়, নিজের চার বন্ধুকে দিয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করালো গুণধর স্বামী। জানা গিয়েছে ওই তরুণী বেঙ্গালুরুতে একটি বেসরকারি কলেজে নার্সিং ট্রেনিং করছিলেন। ওয়ারেন্টি থাকবে তার গুণধর স্বামীর নাম আনিমুল ইসলাম। 
অভিযুক্ত আনিমুল মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান। বেঙ্গালুরু থেকে শ্বশুরবাড়িতে স্বামীর কাছে এসেছিলেন ওই তরুণী। তখন অতিরিক্ত টাকা কামানোর নেশায় নিজের স্ত্রীকে দেহ ব্যবসায় নামার জন্য অত্যধিক চাপ দিতে থাকে অভিযুক্ত আনিমুল। স্ত্রী রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে প্রচণ্ড অশান্তি সৃষ্টি হয় । সময় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। পুলিশের হস্তক্ষেপে সবকিছু তখনকার মতো মিটমাট হয়ে যায়। গত ১৯ শে ডিসেম্বর স্বামীর মেসে স্বামীকে খাবার দিতে গিয়েছিলেন ওই তরুণী। তখনই স্বামীর মদতে মাদক খাইয়ে ওই গুণধর আনিমুলের চার বন্ধু গন ধর্ষণ করে ওই তরুণীকে এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ইটাহারের একটি রাস্তার ধারে ফেলে রেখে চলে যায় ওই গুণধর লোকজন। ‌

রায়গঞ্জ হাসপাতালে ওই তরুণীকে ভর্তি করে পুলিশ। ওই তরুণী তার জবানবন্দিতে সবকিছু জানিয়েছেন পুলিশকে, কিন্তু ঘটনার পর ৫ দিন কেটে গেলেও এখনো পর্যন্ত পুলিশ কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করেনি।





Others News

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।

প্রেমিকার বাড়ির নিচ পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ বানিয়ে ছিল এক ব্যক্তি, কিন্তু ধরা পড়ে গেল প্রেমিকার স্বামীর কাছে।


এমন কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে আমরা প্রত্যক্ষ করি যা সম্পূর্ণ স্তম্ভিত করে দেয় আমাদের। ‌ বেশকিছু ঘটনা এমনি ঘটে যা আমাদের অবাক করে দেয় পাশাপাশি আমাদের মনে কিছুটা আনন্দেরও সঞ্চার করে। সেরকমই একটি ঘটনায় সারা বিশ্ববাসী যেমন অবাক হয়েছেন তেমনি হাসিতে ফেটে পড়েছেন। ‌

এক ব্যক্তি নিজের বাড়ির নিচ থেকে প্রেমিকার বাড়ি পর্যন্ত বহু পরিশ্রমের ফলে দীর্ঘ এক সুড়ঙ্গ বানিয়েছিলেন। বিবাহিতা প্রেমিকার বাড়িতে সেই সুড়ঙ্গ পথে তিনি যাতায়াত করতেন এবং প্রায়শ‌ই প্রেমিকার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার সাথে ঘনঘন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই ব্যক্তি। এই মজাদার ঘটনাটি ঘটেছে মেক্সিকোয়। ‌ যে ব্যক্তি এই সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ছিলেন তাঁর নাম হল অ্যালবার্টো। ওই গোপন পথ দিয়েই তিনি তার বিবাহিত প্রেমিকার কাছে যেতেন। ঐ সুড়ঙ্গটি প্রেমিকার বাড়ির যেখানে গিয়ে উঠতো, সেটা প্রেমিকার ড্রয়িং রুম ছিলো। তাঁর প্রেমিকা ওই সুড়ঙ্গের মুখটি সোফা দিয়ে ঢেকে রাখতেন। একদিন তারা দুজনে শারীরিক সম্পর্কে মত্ত ছিলেন , সেই সময় তার প্রেমিকার স্বামী হঠাৎ করেই বাড়ি ফিরে আসেন, টের পেয়ে সোফার তলায় সোজা গিয়ে লুকিয়ে পড়েন অ্যালবার্টো। তার স্বামী দেখতে পেয়ে সোফাটি সরিয়ে দেখে তার নিচে এক বিশাল আকার সুড়ঙ্গ পথ। স্ত্রীকে জেরা করে সবকিছু জানতে পারেন তার স্বামী, তারপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ এসে এই বিশাল সুড়ঙ্গ পথের সন্ধান পায়।

ওই মহিলার স্বামী এর আগে সুড়ঙ্গ পথ ধরে অ্যালবার্টোর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। পুলিশ এই সুড়ঙ্গের গঠন দেখে সম্পূর্ণ তাজ্জব হয়ে গিয়েছে। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে এবং রীতিমত সুনিপুণভাবে সুড়ঙ্গটি বানানো হয়েছে ।